অক্টোবর-নভেম্বর

ভারতে চিনি উৎপাদন কমেছে ৩৫.৪%

ভারতের দুটি প্রধান চিনি উৎপাদনকারী রাজ্যের মিলগুলোয় চলতি মৌসুমের উৎপাদন কার্যক্রম বিলম্বে শুরু হয়েছে।

ভারতের দুটি প্রধান চিনি উৎপাদনকারী রাজ্যের মিলগুলোয় চলতি মৌসুমের উৎপাদন কার্যক্রম বিলম্বে শুরু হয়েছে। এ কারণে অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে চিনি উৎপাদন কমেছে। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের ন্যাশনাল ফেডারেশন অব কো-অপারেটিভ সুগার ফ্যাক্টরিজ লিমিটেড (এনএফসিএসএফ)। খবর রয়টার্স।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় এ শিল্প সংস্থা জানায়, অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের চিনিকলগুলো ২৭ লাখ ৯০ হাজার টন চিনি উৎপাদন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশ কম।

বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ ভারত। খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, চিনির উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবার দেশটি রফতানি কোটা বরাদ্দ করা থেকে বিরত থাকতে পারে। এছাড়া উৎপাদন কমায় বিশ্ববাজারে বাড়তে পারে পণ্যটির দাম।

এনএফসিএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকাশ নায়কনাভারে বলেন, ‘ভারতের রাজ্য মহারাষ্ট্রে নতুন মৌসুমের প্রথম দুই মাসে উৎপাদন ৬৬ শতাংশ কমে ৪ লাখ ৬০ হাজার টনে নেমে এসেছে। এ সময় রাজ্যটিতে মোট ৬৪ লাখ ৭৯ হাজার লাখ টন আখ মাড়াই হয়। ’

এদিকে অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ১১৮টি চিনিকল ১ কোটি ৪৮ লাখ ২৮ হাজার টন আখ মাড়াই করে। তা থেকে মোট চিনি উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ লাখ ৯০ হাজার টন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ শতাংশ কম।

ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী রাজ্য কর্ণাটক। এ রাজ্যে অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত চিনি উৎপাদন কমেছে ৩৬ শতাংশ। মোট উৎপাদন নেমে এসেছে সাত লাখ টনে। এ সময় অঞ্চলটিতে আখ মাড়াইয়ের পরিমাণ ছিল ৭৮ লাখ ৬৫ হাজার টন।

নায়কনাভারে জানান, নভেম্বরের শেষে ভারতে ৩৮১টি চিনিকল আখ মাড়াই কার্যক্রম শুরু করেছে। গত বছরের একই সময় এ পরিমাণ ছিল ৪৩৩টি।

এনএফসিএসএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ মৌসুমে ভারত ২ কোটি ৮০ লাখ টন চিনি উৎপাদন করতে পারে, আগের মৌসুমে যা ছিল ৩ কোটি ১৯ লাখ টন।

আরও